Skill builder

সবাই বলে স্কুল লাইফ হলো জীবনে সবচেয়ে মজার লাইফ।কথা টি আসলেই চিরন্তন সত্যি। যেটা আমরা কেউ স্কুল লাইফ বুঝতে পারিনি। আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন বেশি ভাগ স্টুডেন্টরাই ভাবতাম কলেজ লাইফে, ইউনিভার্সিটি লাইফে কোনো পেরাই নেই শুধু মজা বর মজা। আসলেই কী তাই? হাহাহা! সম্পূর্ণটাই এর উল্টো। অকে তাহলে আমরা শুরু করি স্কুল লাভ স্টোরি-১:

আমাদের আজকের গল্পটির মূল চরিত্র দু’জন সামির আার দোয়া। সামির আর দোয়া একই স্কুলে ক্লাস নাইনের স্টুডেন্ট ছিলেন। সামির খুবই চঞ্চল ও দুষ্ট প্রকৃতির ছেলে ছিল।সামির স্টুডেন্ট হিসেবে ভালো ছিল।কিন্তু তার পড়াশোনার মনোযোগ ছিল না। সে বেশিরভাগ পছন্দ করত।বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া ও ঘোরাফেরা করতে। কিন্তু ক্লাসে সে খুব প্রপোলার ছিল। ক্লাসের ছেলে মেয়ে সবাই সামির কে খুব পছন্দ করত। কারণ সে সবাইকে খুব হাসাতো এবং সে সবার সাথে মিলেমিশে চলত। কিন্তু দোয়া সামিরের থেকে একেবারে ব্যতিক্রম ছিল। সে দেখতে ছিল খুবই অসম্ভব সুন্দরী। দোয়া স্টুডেন্ট হিসেবে খুব ভাল ছিল। সে ক্লাসে খুব কম কথা বলতো খুব চুপচাপ থাকতো। আর পাঁচটা মেয়েদের মতন দুষ্টামি ফাইজলামি তে একদমই থাকতো না। কিন্তু তার চোখে-মুখে অদ্ভুত একটি মায়া ছিল। তাকে দেখলে মনে হতো সাত খুন মাফ করে দে। খুবই মায়াবতী ও রাগি ছিল দোয়া।

ক্লাসে বেশী দুষ্টামি ফাজলামি করা দোয়া পছন্দ করত না। কিন্তু সামির খুবই দুষ্টামি করত। যার জন্য দোয়া সামির কে খুব বেশি একটা পছন্দ করত না। যেদিন প্রথম দোয়া ও সামিরের সাথে দেখা হয়। সেদিন থেকেই তাদের ঝগড়া শুরু হয়। টিফিন পিরিয়ডে দোয়া নিচে নামে টিফিন কিনার জন্য। আর সামির তখন টিফিন কিনে ক্লাসে যাচ্ছিল। ঠিক তখনই তাদের সিঁড়িতে একটু ঝামেলা হয়। দোয়া সিড়িঁ দিয়ে আস্তে আস্তে নাম ছিল। কিন্তু সামির তখন তার বন্ধুদের সাথে দৌড়ে উঠছিল। ওঠার সময় সামিরের ধাক্কা লেগে দোয়ার হাত থেকে তার পানির বোতল টি পড়ে যায়। আর ঠিক তখনই দোয়া খুব রেগে যায়। এবং সামির অনেক গুলো কথা শুনিয়ে দেয়। সামির এতবার সরি সরি বলা সত্ত্বেও সে তার কোন কথায় শুনছিল না।

তার পর সামির রেগে গিয়ে দোয়ার হাত থেকে পানির বোতল টি নিয়ে আবার ফেলে দিয়ে সোজা হাঁটা দেয়। তখন দোয়া আরও রেগেমেগে ফায়ার। তখন পর্যন্ত দোয়া ও সামির কেউ জানত না যে তারা একই ক্লাসে পড়ে। দোয়া ক্লাস নাইন এ নতুন অ্যাডমিশন নেয়। যার ফলে তারা একে ওপর কে আগে থেকে চিন্তা না। তাদের সিড়িঁ কাহিনী একটু ফিল্মি হলেও এটাই সত্যি।যেতে যেতে সামিরের বন্ধুরা সামির কে বলল। দোস্ত মেয়েটিকে তো আগে কখনো এই স্কুলে দেখিনি নতুন এডমিশন নিয়েছে হয়তো। মেয়েটি দেখতে কিন্তু অনেক সুন্দরী।

একবার ভেবে দেখতে পারিস। তোর সাথে কিন্তু খুব ভালো মানাবে। এটা বলে তার বন্ধুরা হাসাহাসি করলো। উত্তরে সামির বলল _ তোদের মাথা ঠিক আছে মেয়েটার ব্যবহারটা দেখলি সামান্য পানিতে পড়ে যাওয়া কেমন ডাইনির মতো আচারণ করল।আমি ইচ্ছে করে ওরে ধাক্কা দিয়েছে।

এটা একটা অ্যাক্সিডেন্ট ছিলো। মেয়েটা খুব বদমেজাজী অহংকারী টাইপের। ওর সাথে আমার কোন দিন যায় না। কিন্তু খোঁজ নিতে হবে মেয়েটা কোন ক্লাসে পড়ে এবং তার নাম কী। তখন বন্ধুরা বলল কেন এত কিছু জেনে তুই কি করবি? উত্তরে সামির বলল – আজকে থেকে ওরে আরো বেশি করে জালাতে হবে ডিস্টার্ব করতে হবে। এতো গুলো কথা শুনালো যখন। এটা বলে সামির তার বন্ধুদের সাথে স্কুলের ছাদে চলে গেল আড্ডা দিতে।

টিফিন প্রিওড শেষ হওয়ার পর যখন সামির ও তারা বন্ধুরা ক্লাসে ঢুকে। তখন দোয়া কে তাদের ক্লাসের দেখতে পায়। তারা সবাই দোয়া কে ক্লাসের দেখে পুরাই অবাক। সামির বললো কীরে এই মেয়ে আমাদের ক্লাসে কি করে। আর দোয়ার ও একই প্রশ্ন। তারা দুজনেই খুব অবাক। তার পর তারা জানতে পারলো যে তারা একই ক্লাসে পড়ে। তখন সামির তার বন্ধুদের কে বলল। আমার জন্য কাজ টা অনেক সহজ হয়ে গেলো রে। এখন আরামে ওর পিছনে লেগে থাকা যাবে। আর দোয়া তক্ষণ বলছি যে এই বদমাশ ছেলেটা আমাদের ক্লাসে।

এখন এর সাথে একই ক্লাসে পড়তে হবে। না জানি আর কি কি সহ্য করতে হয়। তারা একজন আর একজনের দিকে এমন ভাবে রাগ নিয়ে দেখছিল। যেন তখনই একজন আর একজন কে কাঁচা গিলে খেয়ে ফেলবে।

গল্পটি যদি ভালো লেগে থাকে পরবর্তী।

তাহলে বাকি অংশের জন্য অপেক্ষা করুন।

Writer Simran Khan Orin

https://www.facebook.com/bitheakter.oring

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.