Skill builder

বাংলার ভুমিতে মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পর ব্রিটিশ হাইকমিশনের একজন ইতিহাসবিদ কর্মকর্তা জাদুঘর পরিদর্শনের পর এক গবেষণায় উল্লেখ করেন এই যেঃ –স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫০ বছর

বিশ্বের বহুদেশের বেসরকারি উদ্দেশ্য উৎসাহিত ব্যাক্তিরা জাদুঘর প্রতিষ্টা করেন,তবে বহু ক্ষেত্রে প্রাথমিক উৎসাহে ভাঠা পড়ে এবং অর্থভাবে এসব জাদুঘর ৫ বছরের বেশি ঠিকে না। তাছাড়া ও বেশির ভাগ জাদুঘর বিত্বশালী ট্রাস্টফান্ডের ওপর নির্ভরশীল।তারমধ্য একটা বড় চালেন্জ হলো বাংলাদেশের মতাদর্শের কারণে সমাজে বিভক্তি গভীর ও বিস্তৃর্ণ।যে কারণে আমাদের জানা উচিত যে সরকার পরিবর্তন হলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত ও পরিবর্তন হবে। সেই সাথে এই সত্য মত মেনে ও আামাদের বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আজ ২৫ বছর পূর্ণ করেছে।

সম্ভবতার ফলাফল সরুপঃ

এটি মুলত সম্ভব হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠাকালে কিছু মৌলিক সিদ্ধান্ত ও সবোর্পরী সর্বজনের সমর্থনের ফলে।কারণ ১৯৯৫ সালে ৮জন ট্রাস্টি ২ লাখ টাকা আমানত দিয়ে ট্রাস্ট গঠন করে নিবন্ধিত করেন।আর্থিক সহয়তা আশা করেছে এমন কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের নিরাশ করেন নি।সেই সাথে যাএা শুরু করেছিলেন সেগুনবাগিচায় ভাড়াবাড়ীতে, সেখান থেকে ২০১৭ সালে আগারগাঁও প্রায় এক একর জমির ওপর তিনটি বেসমেন্টসহ ছয়তলা বিশাল অট্রালিকায় বাংলাদেশে প্রথম স্থায়ী জাদুঘরের উন্মোচন ঘঠে। প্রধান সহযোগী বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান সরকার প্রধান,শেখ হাসিনা।

তিনিই এই জমির বরাদ্দ এবং প্রস্তুতি পর্ব থেকে পাশে থেকে সহযোগিতা করেছিলেন। তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রস্তুতি পর্ব ১৯৯৫ সাল থেকে আরো অনেক বিনিদ্র রজনীতে কয়কটি মৌলি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এভাবেই আমাদের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্থায়ী জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা হন।

যা আমাদের বাঙ্গালির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপসংহার ঃপ্রদশির্ত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বহুমাত্রিক কর্মযঙ্গ যেমন-গণহত্যা,প্রতিরোধ,নারী নিযার্তন আন্তর্জাতিক পরিসরে শএুতা এবং মিএদের ভূমিকা সর্বশেষ বিজয় অজর্ন।আমরা কেবল প্রদশির্ত সামগ্রীট মাধ্যমে আত্মদান ও মুক্তিযুদ্ধাদের বীরত্বের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করি। সেই সাথে আমাদের বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর দশর্ন করার পর কোন ব্যাক্তি কিরকম মন্তব্য করবে তা সম্পর্ণ নিজের ব্যাক্তিগত নিজস্ব চিন্তা ও বিশ্বাসের বিষয়।

মন্তব্য আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল নতুন প্রজন্মের প্রসঙ্গে প্রস্তুতি পর্ব ও বাঙ্গালীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংস্কৃতির পরিচয় সাধন করা। ১৯৯৮ সালে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এবং ২০০৪ সাল থেকে জাতীয় জাদুঘরের মাধ্যমে সারা দেশের জেলা উপজেলার শিক্ষাথর্ীরা অধ্যাবদি ১দফা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং চিত্র দেখেছে।তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রত্যক্ষদর্শী ভাবে অভিভাবকদের সাক্ষাৎকার গ্রহন করে আমাদের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অনেক অজানা কাহিনীর সঙ্গে আমাদের বাঙ্গালিদের পরিচয় হতে সাহয্য করেছে।অবেশেষে এটায় বলব যে,মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রচলিত ধারার জাদুঘর নই।নানা আয়োজনের মধ্য দিয় মুক্তিযুদ্ধের বহুমাত্রিক কর্মযঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে।এ কাজে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি এবং শিল্পীরা। —স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫০ বছর

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.