অবহেলা এই শব্দটি যতটা ছোট এর অর্থ ততটাই বড়। অবহেলা শব্দটির একদিক দিয়ে যেমন মারাত্মক , অন্যদিকে তেমন বেদনাদায়ক। কারণ অবহেলার মাধ্যমে মানুষ মানুষকে চরমসীমা নিয়ে যেতে পারে। আপনি কাউকে অবহেলা করে দেখেন, আর কারো থেকে অবহেলা পেয়ে দেখেন তখন বুঝবেন অবহেলা শব্দটা কতটা বেদনাদায়ক। আর তাই আমাদের উচিত কাউকে অবহেলা না করা। কারণ অবহেলার মাধ্যমে একটি মানুষ মৃত্যু পর্যন্ত চলে যেতে পারে। অবহেলা ডিপ্রেশন নীরবতা একাকিত্ব বোধ সবগুলো শব্দই একে অপরের সাথে জড়িত।

একটি মানুষকে ধ্বংস করতে এগুলোই যথেষ্ট। তাই সব সময় আমাদের এগুলোতো পরিহার করা উচিত। একবারের জন্য হলেও এটা চিন্তা করা উচিত আপনি যাকে অবহেলা করছেন সেই অবহেলা যদি আপনি পান তাহলে আপনার অবস্থা কি রকম হবে। এগুলো ভেবে হলেও কাউকে অবহেলা করবেন না কাউকে কখনো কষ্ট দিবেন না। যখন আমরা সমাজে দেখি কোন ছেলে বা কোন মেয়ে দিল্লি আগে অনেক ভালো ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই তার ভিতরে পরিবর্তন চলে এসেছে।

তখন আমরা অনেকেই এটাকে নেগেটিভলি নেই। কিন্তু আমরা একটিবারও চিন্তা করিনা তার মনের অবস্থাটা কি রকম। তাকে বুঝার কোনো চেষ্টাই আমরা করি না। উল্টো আর তার নামে উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকি। এটা আমাদের কখনোই করা উচিত না। কারণ কারো সম্পর্কে না জেনে কোন মন্তব্য করা উচিত না। সে কিরকম কষ্টে আছে সেটা শুধুমাত্র সেই বুঝতে পারবে। সেটা বুঝার ক্ষমতা যদি আপনার থাকতো তাহলে কখনোই এরকম বলতে পারতেন না। কারণ একটি মানুষ যখন খুবই কষ্টে থাকে তখন সে বুঝেনা তার কি করা উচিত।

তখন সে খারাপ ভালোর ভিতরে পার্থক্য করতে পারে না। আর এর ফলেই তার ধারা হয় কোন অঘটন। হয় সে কোন নেশায় আসক্ত হয়ে যায়, না হলে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে চলে যায় চির জীবনের। জন্য তাই কখনো নিজের কাছের মানুষ বা প্রিয় মানুষ বা যেই হোক না কেন কাউকে অবহেলা করবেন না। —-অবহেলা শব্দটি

কারন এমনতো হতে পারে আপনার জন্য কারো জীবনটাই চলে গেল তাই সব সময় সতর্ক থাকবেন। আর কাউকে অবহেলা করা থেকে অবশ্যই দূরে থাকবেন। পরিশেষে একটি কথা বলা যায় যে,যদি আমাদের সমাজ থেকে অবহেলা একাকীত্ব বোধ নীরবতা অন্যমনস্ক এই শব্দগুলো দূর করা যেত তাহলে অনেক প্রাণ অকালে ঝড়ে থেকে বেঁচে যেত। গড়ে উঠতো একটি সুস্থ সমাজ। তাই আমাদের সবার অবহেলা সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত এবং যতটা সম্ভব কাউকে অবহেলা করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.